কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় পদ্মা নদীতে নিখোঁজের দুই দিন পর আরেক সহকারী উপ-পরিদর্শক ( এএসআই) মুকুল হোসেনের (৪০) মরদেহ পাওয়া গেছে।
আজ বুধবার সকাল ৭ টার দিকে পাবনার সুজানগর থানার নাজিরপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। নৌ পুলিশের একটি দল উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন।
বুধবার সকাল ৮ টা ৩৯ মিনিটে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা। তিনি বলেন, ‘নাজিরপুর এলাকায় নদীতে এক পুলিশের ভাসমান লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। গিয়ে দেখা যায় লাশটি এএসআই মুকুলের। কুমারখালী থানা পুলিশকেও খবর দেয়া হয়েছে। নদীর ঘটনা হওয়ায় নৌ পুলিশ কাজ করছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল তিনটার দিকে অপর সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সদরুল হাসানের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ খেয়াঘাট এলাকা থেকে ভাসমান মরদেহটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
এর আগে গত সোমবার ভোরে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের শ্রীখোল এলাকায় অবৈধভাবে মৎস্য শিকারী দুর্বৃত্ত জেলেদের হামলার পর থেকে তারা দুইজন পদ্মা নদীতে নিখোঁজ ছিলেন। হামলার এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এক উপ-উপরিদর্শক ও দুই ইউপি সদস্য।
নিহত সহকারী উপ-পরিদর্শক সদরুল হাসান পাবনার আতাইকুলা থানার কাজিপুর গ্রামের আব্দুল ওহাবের বড় ছেলে। আর সহকারী উপরিদর্শক মুকুল হোসেন (৪০) মেহেরপুরের কালাচাঁদপুর গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের ছেলে। তারা কুমারখালী থানায় কর্মরত ছিলেন।
আহতরা হলেন- কুমারখালী থানার উপ-পরিদর্শক নজরুল ইসলাম, কয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর সদস্য ছানোয়ার হোসেন ছলিম ও ৬ নম্বর সদস্য আনোয়ার হোসেন টিটন।
কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সাব অফিসার ফিরোজ আহমেদ বলেন, আজ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৪০/৪৫ কিলোমিটার দুরে পাবনার সুজানগরের নাজিরপুর এলাকায় এএসআই মুকুলের মরদেহটি পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক প্রায় দুই কিলোমিটার দুর থেকে ভাসমান অবস্থায় নিখোঁজ পুলিশ সদরুলের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিরা উদ্ধার হওয়ায় তাদের অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।

