চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ছাত্রাবাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ৭৫ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারসহ ৮৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।
সোমবার (২৮ অক্টোবর) একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, বিষয়টি তদন্তে চার মাস আগে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে কমিটি ছাত্রাবাসে অবৈধ অনুপ্রবেশ, অবৈধভাবে রুম দখল, অঙ্গীকার ভঙ্গ, মারধর ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ও শিক্ষার পরিবেশ নষ্টের প্রমাণ পায়। এ কারণে রবিবার একটি সভা ৭৫ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারসহ ৮৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সেটাই আজ একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত দুই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনের ‘বিপক্ষে অবস্থান নেয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে দেশের আটটি সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কমপক্ষে ৮৬ জন চিকিৎসক ও ১৩৬ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হয়েছেন।
এসব প্রতিষ্ঠানের অফিস আদেশ অনুযায়ী, চিকিৎসকদের মধ্যে পাঁচজন অধ্যাপক, তিনজন সহযোগী অধ্যাপক, দুজন সহকারী অধ্যাপক এবং ৪১ জন ইন্টার্ন রয়েছেন।
তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও একাডেমিক কার্যক্রম স্থগিত, হল থেকে বহিষ্কার, এমনকি মেডিকেল সার্টিফিকেট বাতিলের সুপারিশের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অনেককে আজীবনের জন্য ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ৫ আগস্ট থেকে ২ অক্টোবরের মধ্যে এই ২২২ জন চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

