বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমু, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানসহ সাত জনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২১ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত পুলিশের আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
গ্রেপ্তার দেখানো অন্যান্য ব্যক্তিরা হলেন—সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।
মামলার নথি অনুযায়ী, শাহবাগ থানাধীন চানখারপুল এলাকায় গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ক্ষুদ্র ঝুট ব্যবসায়ী মো. মনির গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী ১৪ মার্চ শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন, যাতে আমু, আনিসুল ও শাজাহান খানের নাম উল্লেখ করা হয়।
একই আন্দোলনে পলিটেকনিক শিক্ষার্থী ইসমাইল হোসেন রাব্বি নিহত হন। এই ঘটনায় দায়ের করা আরেক মামলায় আনিসুল হক ও জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মিরপুর মডেল থানায় দায়ের করা আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী হত্যা মামলায় ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে এবং মিরপুর থানার আরেক মামলায় কামাল আহমেদ মজুমদারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শেরে বাংলা নগর থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে।
পুলিশ জানিয়েছে, এসব মামলা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়কার সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনায় দায়ের করা হয়েছে, যার পেছনে অভিযুক্তদের ‘উসকানি’ এবং ‘পরোক্ষ ভূমিকা’ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।

